সময়বিডি২৪.কম

রবিবার ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ , ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮

হত্যা নয়, কলহের জেরে ‘আত্মহত্যা’ করেন সালমান শাহ : আদালতে পিবিআই

বিনোদন ডেস্ক : বাংলা চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের শিকার হননি, তিনি পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছিলেন বলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেছেন আদালত। আজ রবিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদের আদালত পিবিআইর দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। এদিন চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেন সালমান শাহের মায়ের আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ। একই সঙ্গে সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর ভার্চুয়ালি জবানবন্দি নিতে আবেদন করা হয়। আদালত মামলার বাদী উপস্থিত না থাকায় আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন। প্রয়াত চলচ্চিত্র অভিনেতা সালমান শাহের মায়ের আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পি‌বিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়ে। ওই দিন সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট আদালতের ডেসপাস শাখায় ৬০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম।পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহের আত্মহত্যার পাঁচটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো- চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমানের অতিরিক্ত অন্তরঙ্গতা, স্ত্রী সামিরার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ, মাত্রাধিক আবেগপ্রবণতার কারণে একাধিকবার আত্মঘাতী হওয়া বা আত্মহত্যার চেষ্টা, মায়ের প্রতি অসীম ভালোবাসা জটিল সম্পর্কের বেড়াজালে পড়ে পুঞ্জীভূত অভিমানে রূপ নেওয়া ও সন্তান না হওয়ায় দাম্পত্য জীবনে অপূর্ণতা।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহর রহস্যজনকভাবে মৃত্য হয়। সেসময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে-এমন অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করার আবেদন জানান তিনি। ২০১৪ সালে ২১ ডিসেম্বর সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী ছেলের মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান এবং ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেন। ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী ঢাকা মহানগর হাকিম জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে নারাজির আবেদন করেন।

নারাজি আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জন তার ছেলে সালমান শাহের হত্যাকান্ডে জড়িত থাকতে পারেন।

এরপর র‌্যাব মামলাটি তদন্ত শুরু করে। তবে র‌্যাবের তদন্তের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ গত বছরের ১৯ এপ্রিল মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি রিভিশন মামলা করে। ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ ৬ এর বিচারক ইমরুল কায়েস রাষ্ট্রপক্ষের রিভিশনটি মঞ্জুর করেন এবং র‌্যাবকে মামলাটি আর তদন্ত না করার আদেশ দেন। তখন মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পিবিআইকে দেওয়া হয়।

সময়বিডি২৪.কম/সুজন বিক্রম

এই বিভাগের আরও খবর

সদ্যপ্রাপ্ত নিউজ

বাংলাদেশ দলের এত খারাপ পারফর্মেন্স গত ৮ বছরে দেখিনি: পাপন

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন। আজ শনিবার (৪ ডিসেম্বর) মিরপুর জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের...

Read more