সময়বিডি২৪.কম

রবিবার ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ , ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮

দেশের সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। সব ধর্মের মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত রক্ত ক্ষয়, এত কিছু বাংলাদেশে ঘটে গেছে, আর যেন এ ধরনের ঘটনা কখনো না ঘটে।’ আজ মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জন্মদিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুক্ত হন তিনি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্ণনা করে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘খুনিদের প্রতি খালেদা জিয়ার এই যে পক্ষপাতিত্ব এটার কারণটা কী? কারণটা খুব স্পষ্ট ও সহজ। কারণ হচ্ছে, খুনি মোশতাকের সঙ্গে জিয়াউর রহমান সম্পূর্ণভাবে এই খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল। এই রাসেলকে সর্বশেষে হত্যা করা হয়ে ছিল। বলা হয়েছিল, ওই ছোট্ট শিশুটিও যেন না বাঁচতে পারে। এই নির্দেশটা কে দিয়েছিল সেদিন? কারা দিয়েছিল? সব শেষে, সবচেয়ে এটাই খুব কষ্টের ।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন বিরোধী দলে ছিলাম তখনও চেষ্টা করেছি, এখনও চেষ্টা করি এ দেশে, এই দেশের শিশুরা তাদের লেখাপড়া, তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা, তারা যেন নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে। আজকে যেমন আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, সেই ডিজিটাল বাংলাদেশ, সেটা তৈরি করার জন্য তাদের প্রস্তুত করা, তাদের ট্রেনিং দেওয়া, সব রকম ব্যবস্থা তাদের জন্য করে দিচ্ছি।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিশুর নিরাপত্তা, শিশু অধিকার আইন তো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে করে দিয়ে গিয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষাটাকে অবৈতনিক করে দিয়ে গেছেন জাতির পিতা, বাধ্যতামূলক করে দিয়ে গেছেন। কাজেই আমার বাবার আদর্শ নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের এই দেশের শিশুরা যেন আর এই নির্মমতার শিকার না হয়।’ সরকার প্রধান বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, এখনও আমরা দেখি, সেই নির্মমতা এখনও মাঝে মাঝে দেখতে হয় আমাদের। পরবর্তীতেও আমরা দেখেছি। কিন্তু এইটা যেন আর না হয়। দেখেছি, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে কীভাবে হত্যা করা হচ্ছে জ্যান্ত মানুষগুলোকে, শিশুকে পর্যন্ত হত্যা করা হচ্ছে। এই খালেদা জিয়া বিরোধী দলে থাকতে অগ্নিসন্ত্রাস করে চলন্ত বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়েছে। বাবা দেখেছেন নিজের চোখের সামনে আগুনে পুড়ে সন্তান কিভাবে মারা যাচ্ছে। সে রকম নিষ্ঠুর ঘটনা তো বাংলাদেশে ঘটেছে। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুর্ভাগ্য এই বাংলাদেশের।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি এইটুকু চাইবো, এখানে মানবতার প্রশ্ন যারা তোলে, তারা যেন এই ঘটনাগুলো ভালোভাবে দেখে যে বাংলাদেশে কী ঘটলো। কিন্তু আমরা সরকারে আসার পর থেকে আমাদের প্রচেষ্টা—কোনও শিশু রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে না, দেশে কোন টোকাই থাকবে না। তাদের যেন একটা ঠিকানা থাকে, তারা যেন একটু ভালোভাবে বসবাস করতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের একটাই লক্ষ্য—এই দেশের প্রতিটি গৃহহীন মানুষ একটা করে ঘর পাবে। প্রতিটি মানুষ শিক্ষা পাবে। চিকিৎসা পাবে। ভালোভাবে বাঁচবে। প্রতিটি শিশু তার যে মেধা, তার যে জ্ঞান, তার যে বুদ্ধি, সেটা যেন বিকশিত করতে পারে। বাংলাদেশকে তারা যেন সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সেই চেষ্টাই আমি করে যাচ্ছি। তাদের জন্য।

সময়বিডি২৪.কম/শুব্রা রায়

এই বিভাগের আরও খবর

সদ্যপ্রাপ্ত নিউজ

বাংলাদেশ দলের এত খারাপ পারফর্মেন্স গত ৮ বছরে দেখিনি: পাপন

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন। আজ শনিবার (৪ ডিসেম্বর) মিরপুর জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের...

Read more